বৃহস্পতিবার , ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

ধোপাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি নিয়োগে প্রতারণা: ৮ বছর চাকরি করেও পাননি বেতন

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫

আদালতের রায় পাওয়ার পরও বেতন প্রদান করেননি সাবেক প্রধান শিক্ষক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা; অসহায় কর্মচারীর দাবি চক্রবদ্ধ প্রতারণায় তাকে মানবেতর জীবনে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। যশোরের অভয়নগরে ‎ধোপাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম–প্রহরী পদে চাকরি করে দীর্ঘ আট বছরেও বেতন পাননি এক প্রার্থী। আদালতের রায়ে নিয়োগ বৈধ হওয়ার পরও তার বেতন–ভাতার ব্যবস্থা না করায় বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভয়নগর আমলী আদালতে প্রতারণার মামলা হয়েছে। মামলাটি দায়ের করেন অসহায় শ্রমজীবী মো. আছর আলী (৪৫)। ‎মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৮ জানুয়ারি প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ধোপাদী উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম প্রহরী পদে চারজন প্রার্থীর লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে প্রথম হন আছর আলী। ‎কিন্তু পরবর্তীতে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য যৌথভাবে প্যানেল বাতিল করে নতুন নিয়োগের নির্দেশ দেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত আছর আলী ২০১৫ সালে আদালতে দেওয়ানি মামলা করেন। আদালত ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই রায় দিয়ে তার পক্ষে নির্দেশ দেন এবং ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ কার্যকর করার আদেশ দেন। ‎রায়ের পর ২০১৬ সালের ১৪ আগস্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি তাকে দপ্তরি কাম প্রহরী পদে আনুষ্ঠানিক নিয়োগপত্র প্রদান করেন। এরপর তিনি দায়িত্বও গ্রহণ করেন এবং ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত নিয়মিত দায়িত্ব পালন করেন। ‎তবে অভিযোগ অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তৃতীয় আসামি (সাবেক প্রধান শিক্ষক) অজ্ঞাত কারণে তার বেতন–ভাতা অনুমোদন ও প্রদানের কোনো ব্যবস্থা নেননি। ১ ও ২ নম্বর আসামি একাধিকবার সুপারিশ করলেও তিনি তা উপেক্ষা করেন বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে।

‎‎এমনকি আদালতের রায়ের পোষকতায় একাধিক লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হলেও বেতন প্রদানের কোনো পদক্ষেপ নেননি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। এতে বাদী পরিবার–পরিজন নিয়ে মানবেতর অবস্থায় পড়েন।

‎‎অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ইচ্ছাকৃতভাবে বাদীকে প্রতারিত করেছেন এবং দীর্ঘদিন কাজ করিয়েও বেতন না দিয়ে আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছেন।

‎‎মামলায় তিনজন আসামি হিসেবে নাম উল্লেখ করা হয়েছে বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি, বর্তমান প্রধান শিক্ষক ও সাবেক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। বাদী আদালতের কাছে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যুর আবেদন করেছেন। এ বিষয়ে বর্তমান প্রধান শিক্ষক ফিরোজা খাতুন বলেন, এ ঘটনা আমি আসার অনেক আগে এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা, আমিও চাই যেন উনি উনার সঠিক বিচার পায়।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।