বুধবার , ১১ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৬শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ২২শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

ভুতুড়ে বিলের কবলে গোপালপুরের পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকরা 

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫
ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল এর অভিযোগ তুলে, ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ময়মনসিংহ পিবিএস-১ এর গোপালপুর জোনাল শাখার গ্রাহকরা। টাঙ্গাইল গোপালপুর উপজেলা সর্ব পশ্চিমে যমুনা নদী তীরবর্তী গ্রাম সোনামুই ও পূর্ববর্তী মধুপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী নারায়ণপুর গ্রামে, সরেজমিন পরিদর্শনকালে। অন্তত ৪০এর অধিক গ্রাহক অভিযোগ তুলে বলেন; মিটারে ব্যবহৃত ইউনিটের চাইতে ৫০-২০০ইউনিট বেশি বিল করা হয়েছে। মিটার না দেখে অনুমান করেই বিল করা হয়েছে। এ কারনে তারা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে বাধ্য হচ্ছেন, অনথ্যয় জরিমানা দিতে হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১-৭৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে ভ্যাট ব্যতীত ৫.২৬ টাকা বিল ও ৭৬-২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে অতিরিক্ত ৭.২০টাকা হারে বিদ্যুৎ বিল করা হয়। এতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল দিতেও বাধ্য হতে হয়।
ধোপাকান্দি ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা তাওফিক আহমেদ বলেন, ৮তারিখে ৬৬৩০ ইউনিট রিডিং লেখা হয়েছে, অথচ আজকে ৩০ তারিখে মিটারে রিডিং আছে ৬৫৭৫ইউনিট। তার অভিযোগ, অতিরিক্ত ইউনিট এর ব্যাপারে অফিসকে অবগত করলে, তারা পরের মাসে সমন্বয় করবে বলেও সমন্বয় করেন না। আমাদের গ্রামের অধিকাংশ মিটারে বেশি রিডিং লেখা হয়েছে। তারা মিটার না দেখেই এমন ভুতুড়ে বিল বানাচ্ছে।
ঝাওয়াইল ইউনিয়নের সোনামুই গ্রামের বিধবা রহিমা বেগম বলেন, আজকে ৩০তারিখ মিটারে আছে ১১০৫ ইউনিট, অথচ ৮তারিখে রিডিং লেখা হয়েছে ১২৬৫ইউনিট। এভাবে অতিরিক্ত বিল বাড়তি চাপিয়ে দিয়ে, আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। আমার স্বামী-সন্তান নাই এতো বিল আমি কিভাবে পরিশোধ করবো। সময়মতো বিল পরিশোধ না করলে আবার জরিমানা ধরে।
সোনামুই মধ্যপাড়া জামে মসজিদের সদস্য বিপ্লব খান বলেন, আমাদের গ্রামের অধিকাংশ মিটারেই অতিরিক্ত রিডিং লেখা হয়েছে। আমাদের মসজিদে মিটারে আজকে পর্যন্ত ১৬৮৬ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করা হয়েছে, অথচ ২০দিন আগে বিল করা হয়েছে ১৭২০ইউনিট। এভাবে বাড়তি বিলের বোঝা চাপিয়ে দেয়া বন্ধ করা না হলে আমরা গ্রামবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ গড়ে তুলবো।
গোপালপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. দেলোয়ার হোসাইন বলেন, রিডিং লেখতে ভুল হতেও পারে, এরকম গ্রাহক যদি আসে কেউ তদন্ত করে আমরা সেটা ঠিক করে দিচ্ছি। গত নয়দিনে ১২-১৪টির মতো ঠিক করেছি। আমার এখানে ৭৫হাজার গ্রাহক অথচ লোকবল সীমিত। কতজন গ্রাহকের এমন ভুল হয়েছে তার কোন তথ্য নেই।
না দেখে রিডিং করার অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমরা রিডিং দেখতে ফিল্ডে লোক পাঠাই।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।