বৃহস্পতিবার , ১২ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ২৩শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

রাণীনগরবাসীর দুর্ভোগের নাম রেলগেট মোড়: রেলগেট প্রশস্তকরণের দাবি স্থানীয়দের

প্রকাশিত হয়েছে- শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫
নওগাঁর রাণীনগরবাসীর দুর্ভোগের আরেক নাম রেলগেট নামক মোড়। নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়ক ও রাণীনগর-আবাদপুকুর-কালীগঞ্জ সড়ক দিয়ে ছোট-বড় হাজারো যানবাহনের চলাচল। আর প্রতিদিন ট্রেন চলাচলের সময় রেলগেট বন্ধ হলেই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এর ফলে প্রতিদিন ভোগান্তিতে পড়তে হয় আশ-পাশের কয়েকটি জেলা উপজেলার বহু যাত্রী, চালক ও পথচারীদের। তাই দ্রুত ছোট্ট এই রেলগেটটি প্রশস্তকরণের দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ, জয়পুরহাট, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী সহ বগুড়ার বেশকিছু অঞ্চলের মানুষ নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়ক দিয়ে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার সহজীকরণ হওয়ার ফলে এই মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিনই কয়েক হাজার ছোট-বড় যাত্রীবাহী ও মালবাহী যানবাহন চলাচল করে। এছাড়া প্রতিদিনই ঢাকা, খুলনা ও রাজশাহীগামী যাত্রীবাহী ও মালবাহী ছোট-বড় ৩০টি ট্রেন চলাচল করে। রাণীনগর সদরে অবস্থিত রেলওয়ে স্টেশনের দক্ষিণ পার্শ্বে রেলগেইট নামক মোড়ে দিনের বেলায় যখন ট্রেন চলাচল করে তখন রেলগেইট বন্ধ করা হলে অল্প সময়ের মধ্যে দীর্ঘ যানজটের সৃস্টি হয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা ভোগান্তি পোহাতে হয় বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রী, চালক ও পথচারীদের। রেলহেটটি তুলনা মূলক ছোট হওয়ার কারণে যানজটের শিকার হয়ে প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষের কর্মঘন্টা নষ্ট হয়। অনেক সময় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হলে স্থানীয়রা ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করে। দ্রুতই মহাসড়কের মতো রেলগেইট মোড় প্রশস্তকরণ বিশেষ প্রয়োজন।
উপজেলার আবাদপুকুর এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, অফিসিয়াল বিভিন্ন কাজ করতে উপজেলা পরিষদে যেতে কিংবা জরুরী কোন রোগীকে উপজেলা এবং জেলা সদর হাসপাতালে নিতে হলে রেলগেইট পার হতে হয়। রেলগেইটে এসে যানজটে আটকে পড়ার কারণে অনেক রোগীর মৃত্যুও হয়েছে। যাতায়াতের অধিকাংশ সময়ই রেলগেইটে এসে যানজটের কবলে পড়তে হয়। রেলগেইটের দুই পাশের মহাসড়কে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও রেলগেইটটি আধুনিকায়ন না করার কারণে এই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
উপজেলা সদরের অটোভ্যান চালক সাইফুল ইসলাম, শ্যামল কাজী, বলেন, রেলগেইট প্রশস্ত না হওয়ার কারণে ট্রেন যাওয়ার সময় গেইট বন্ধ থাকাকালীন সময় দুই পাশে প্রায় এক-দেড় কিলোমিটার সড়কে যানবাহনের জট লেগে যায়। এমন সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রেলগেইট সংলগ্ন পরিত্যক্ত ভবন ও দোকানগুলো ভেঙ্গে রেলগেইটের সড়ক ও মোড় বড় করার কোন বিকল্প নেই।
রাণীনগর রেলস্টেশনের সহকারি মাস্টার আতিকুল ইসলাম বলেন, রাণীনগর রেলওয়ে স্টেশন দিয়ে দিনের বেলায় ব্রডগেজ ও মিটারগেজ মিলে ১৬টি ট্রেন আর রাতের বেলায় ১৪টি ট্রেন চলাচল করে। এছাড়া মালবাহী বিভিন্ন ট্রেন তো আছেই। বিশেষ করে দিনের বেলায় ট্রেন চলাচলের সময় ছোট্ট রেলগেইটটি অধিকাংশ সময়ই বন্ধ রাখতে হয়। এতে করে গেইট পার হওয়ার সময় ব্যস্ততম দুটি সড়ক ও মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এই বিষয়টি আমরাও উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানিয়েছি।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।