শুক্রবার , ১৩ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ২৪শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

বিয়ের দাবিতে অনশন মাদ্রাসা ছাত্রীর, অতঃপর বিয়ে

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশনরত মাদ্রাসাছাত্রী শেষ পর্যন্ত বিয়ে করে অনশন ভেঙেছেন। অভিযুক্ত প্রেমিক মাহাদি হাসান (২৭), যিনি পেশায় একজন মসজিদের ইমাম, সামাজিক ও পারিবারিক চাপে মেয়েটিকে বিয়ে করতে বাধ্য হন।
ভুক্তভোগী তানহা তমা (১৬) স্থানীয় সবুজ সঙ্গ দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং উপজেলার বরকতপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের মেয়ে।
অপরদিকে, অভিযুক্ত মাহাদি হাসান বরকতপুর জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং উপজেলার কয়েড়া গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এলাকাবাসীর একাংশ মাহাদি হাসানের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ তুলে তাকে ইমামের দায়িত্ব থেকে অপসারণের দাবি জানায়। উত্তেজনার সৃষ্টি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং তাকে মসজিদ ত্যাগ করতে বলে। পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে যায়, পুলিশ এসে মাহাদির কক্ষে তালা ভেঙে প্রবেশ করে এবং খাটের নিচে লুকিয়ে থাকা তানহাকে উদ্ধার করে। স্থানীয়দের মধ্যে ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
তানহার দাবি ছিলো, পরিবার ও সমাজের কাছ থেকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর, ওই রাতেই তানহা প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, মাহাদি যদি তাকে বিয়ে না করেন, তবে তিনি আত্মহত্যা করবেন।
প্রথমে মাহাদি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই, আমি তাকে আমার কক্ষে আসতেও বলিনি। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ। তবে সামাজিক ও পারিবারিক চাপে তিনি বিয়ে করতে রাজি হন।
অবশেষে, রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে মাহাদি হাসান ও তানহার বিয়ে সম্পন্ন হয়। তবে বিয়ের পরপরই নবদম্পতি আত্মগোপনে চলে যান।
এদিকে জানা গেছে, মাহাদি আগেও একবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন, তবে দীর্ঘদিন যোগাযোগ না থাকায় সেই সংসার নিয়ে একটি মামলা চলমান রয়েছে।
অন্যদিকে, স্থানীয় মসজিদ কর্তৃপক্ষ মাহাদির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে তাকে ইমামের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম রেজাউল করিম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।