শনিবার , ১৪ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ২৫শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

সংসারের ভোজ্য তেলের চাহিদা পূরণের জন্য সরিষা চাষে ঝুঁকেছে কৃষক

প্রকাশিত হয়েছে- রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৫
ভোজ্য তেলর সংকট ও সংসারের তেলের চাহিদা পূরণ এবং বাণিজ্যিকভাবে সরিষার চাহিদা বাড়ায় এবার হরিপুর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ব্যাপক হারে সরিষা চাষে ঝুকেছে কৃষক। উপজেলার দিগন্ত জুড়ে সরিষার ফুলে হলুদের সমারোহে ঢেকে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলের মাঠ। চোখ জুড়ানো সরিষার হলুদ ফুলের মৌ মৌ গন্ধো মৌমাছি সংগ্রহ করছে মধু আর কৃষক বুকভরা আশা নিয়ে বুনছে স্বপ্নের জাল।
সংসারের (পরিবারের) রান্না-বান্নার তেলে ও শরীরে ব্যবহারের জন্য খাঁটি সরিষার তেলের বিকল্প নেই কিছু। ভোজ্য তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে ভেজালের শেষ নেই যা মানুষের স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর। ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ডাঙ্গীপাড়া গ্রামের কলিম উদ্দিন নামে সরিষা চাষি এক কৃষক এ কথাগুলি বলেন। তিনি আরো বলেন, ডাক্তারাও সরিষার তেল খাওয়ার জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন। তাই আমি পরিবারের ভোজ্য তেলের চাহিদা পূরণের জন্য এবার দুই বিঘা জমিতে সরিষার চাষ করেছি। ৭৫ দশক থেকে কৃষক সারিষার  চাষাবাদ করতো। কিন্তু এই সময়ে সরিষার দাম না থাকলেও মানুষ কলুর বলদ দিয়ে ঘানিতে সরিষা পিশে সরিষার তেল দিয়েই পরিবারের রামু-বাপ্পান সহ শরীর ব্যবহার করতো। কিন্তু সরিষা তেলের বিকল্প তেল প্রচলন চালু বয়োর পর ধীরে ধীরে সরিষার চাষাবাদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় কৃষক। তবে দেশে এখন বাণিজ্যিকভাবে সরিষার তেলে ও সরিষার চাহিদা বাড়ছে। বাজারে দামও ভালো তাই সরিষা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন কৃষকরা। ফালডাঙ্গী  গ্রামের কৃষক নলিম বলেন, এক সময় সরিষার চাহিদা এবং দামও ভালো হলো না তাই আমি সরিষার চাষ করতাম না। বাজার থেকে সরিষার বিকল্প তেল কিনে সংসারের চাহিদা পুরন করতাম। বাজারে এখন ভেজাল তেল দামও বেশী এবং স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর। আমি এবার এক বিঘা জমিতে সরিষার চাষ করেছি আশা করি ভালো ফলন পাব। এতেই আমার পরিবারের তেলের চাহিদা পুরন হবে। সরিষা তুলার পর ওই জমিতে বোরোধান রোপন করবো। শনিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকালে উপজেলার কালিগঞ্জ হাটে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিমন পুরাতন  শুকান সরিষা ৩ হাজার ৫শ’ থেকে ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।
হরিপুর উপজেলা কৃষি অফিসার (কৃষিবিদ) রুবেল হুসেন সিলেট প্রেসকে বলেন, আবাদি ও পতিত জমিসহ ৩ হাজার ৪শ’ ৮ হেক্টর জমিতে সরিষার চালা হয়েছে এব আরোল ৮০ থেকে ৮৫ দিন। প্রতি হেট্রর জমিতে ফলন হতে পারে ১ দশমিক ৪৫ টন। এ উপজেলার এবার ৪শ’ প্রান্তিক কৃষককে সরিষা চাষের জন্য ভতুর্কি হিসেবে বিনামূল্যে সরিষা বীজ দেওয়া  হয়েছে। বাণিজ্যিক ভাবে সরিষা ও তেলের চাহিদা বৃদ্ধি এবং ভালো দামের পাওয়ার জন্য কৃষক দিন দিন সরিষা চাষের দিকে ঝুঁকছে।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।