শনিবার , ১৪ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ২৫শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

অভয়নগরে ভিডাব্লিউবি কার্ডের সঞ্চয়ের টাকা লোপাট করলেন চেয়ারম্যান ও সচিব

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫

যশোরের অভয়নগর উপজেলার ৪ নং পায়রা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আ.লীগ নেতা মোঃ হাফিজুর রহমান ও সচিবের বিরুদ্ধে গরীব অসহায় মানুষের জমাকৃত সঞ্চয়ের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তেমন অভিযোগের অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানা গেছে, পায়রা ইউনিয়নে গরীব অসহায় পরিবারের মাঝে মাসে ফ্রি ৩০কেজি চাল দেওয়া হয়। যে কারনে অসহায় মানুষের মাঝে উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিস থেকে ভিডাব্লিউবি কার্ডের মাধ্যমে ওই ফ্রি চাল দেওয়া হয়ে থাকে প্রতিমাসে চাল বিতরণের সময় প্রতিটি পরিবারের থেকে কার্ড অনুযায়ী ফেরতযোগ্য  সঞ্চয় জমা করা হয়ে থাকে। ওই সঞ্চয়ের জমাকৃত টাকা আনুঃ ২ লাখ টাকা তৎকালীন চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুর রহমান ও সচিব মোঃ হামিমুর রহমান এবং গ্রাম পুলিশ তারক যোগসাজশে আত্মসাৎ করে লোপাট করে নিয়েছে। ফলে ওই ইউনিয়নের ভিডাব্লিউবি কার্ডধারী ২৩৭টি পরিবার পড়েছে চরম বিপাকে ভুক্তভোগীরা জানান আমাদের কষ্টে অর্জিত সঞ্চয়ের ২লাখ টাকা অধিক  চেয়ারম্যান হাফিজুর গ্রাম পুলিশ তারক ও সচিব হামিমুর রহমান যোগসাজশে লোপাট করে নিয়েছে। তারা আমাদের টাকা ফেরত দিচ্ছে না। আমাদের কষ্টে জমাকৃত সঞ্চয়ের টাকা ফেরত চায়। এবিষয়ে ৪ নং পায়রা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ হামিমুর রহমান বলেন, আদায়কৃত সঞ্চয়ের টাকা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমানের কাছে, আমার কাছে কোন টাকা নেই। এবিষয়ে গ্রাম পুলিশ তারক বলেন, আমি তখন নতুন চাকরিতে জয়েন্ট করি সচিব টাকা আদায় করেছিলো আমি শুধু পাশে বসে ছিলাম ওই টাকা সব সচিবের কাছে ছিল। এব্যাপারে ৪ নং পায়রা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এব্যাপারে ৪ নং পায়রা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার (ভারপ্রাপ্ত  চেয়ারম্যান) মিলন বলেন আমি পরে এই বিষয়টি শুনেছি, তারা কিছু টাকা ব্যাংকে জমা করেছে বাকি ২ মাসের টাকা পাবে ওই টাকা আমরা বসে সমাধান করে গরীব মানুষদের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করে দিব। এব্যাপারে অভয়নগর উপজেলা মহিলা বিষয়ক সহকারী কর্মকর্তা আকলিমা বলেন, আমরা এবিষয়টি জানি আমি এনিয়ে অনেকবার চেয়ারম্যান হাফিজুরের সাথে কথাও বলেছিলাম তারা আমাকে জানিয়েছিল টাকা ফেরত দিবে কিন্তু টাকা ফেরত দেয়নি। ওই সঞ্চয়ের টাকা আদায়কারী এনজিওর দায়িত্ব কিন্তু এনজিওকে ২০২৪ সালে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তারা ২০২৪ সালের জমাকৃত সঞ্চয়ের হিসাব দিবে। ২০২৩ সালে চেয়ারম্যান, সচিব মিলে যে টাকা আদায় করেছে সে টাকার দায়ভার এনজিওর নেই। ওটা চেয়ারম্যান ও সচিব বহন করবে।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।