রবিবার , ১৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ২৬শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

সাতক্ষীরার তলায় পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধার করতে গিয়ে বিপাকে মিলন চক্রবর্তী

প্রকাশিত হয়েছে- রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪
পিতার রেখে যাওয়া ৯৪ শতক জমি জিল্লুর রহমান গংদের জবরদখলে থাকায় উদ্ধার করতে গিয়ে হয়রানীর স্বীকার ও প্রতিপক্ষদের হুমকিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সাতক্ষীরা তালা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অফিসের উচ্চমান সহকারী মিলন চক্রবর্তী।
এলাকাবাসী ও আদালতে ১৫০ ধারা মামলা সূত্রে জানাযায়, উপজেলার পাটকেলঘাটা এলাকার ধানদিয়া- কৃষ্ণনগর মৌজার এস,এ ৯১০ খতিয়ানে সাবেক ২১১১ দাগে ০.৬৬ একর জমি যাহা বি,আর,এস ১/১ নং খতিয়ানে হাল ৬২৩২ দাগে ০.০৮ একর, হাল ৬২৩৩ দাগে ০.২৮ একর,হাল ৬২৩৫ দাগে ০.৩০ একর মোট – ০.৬৬ একর এবং সাবেক ২১১৪ দাগে ১.২৮ একর জমি বি,আর,এস ১/১ নং খতিয়ানে হাল ৬২২৬ দাগে ০.৩৮ একর, হাল ৬২২৭ দাগে ০.৪৮ একর,হাল ৬২২৮ দাগে ০.২২ একর,হাল ৬২২৯ দাগে ০.২০ একর মোট- ১.২৮ একর,সাবেক ২১১৫ দাগে. ৫৪ একর জমি বি,আর,এস ১/১ নং খতিয়ানে হাল ৬২৩৯ দাগে. ৩৩ একর,৬২৩৪ দাগে ০.২১ একর মোট- ০.৫৪ একর। সাবেক ২১১৬ দাগে ০.১২ একর জমি বি,আর,এস ১/১ নং খতিয়ানে  হাল ২১৩৮ দাগে ০.১২ একর,সাবেক ২১১৮ দাগে ১.১২ একর জমি বি,আর,এস ১/১ নং খতিয়ানে  হাল ৬৩৪০ দাগে ১.১২ একর এবং সাবেক ২১১১/২৯০৪ দাগে ০.০৪ একর জমি হাল ৬২৩৬ দাগে ০.০৪ একর জমি মোট- ৩.৭৬ একর জমি। এবং ঐ মৌজার এস, এ ১২৭৫ নং খতিয়ানে লিখিত সাবেক ২১১০ দাগে ০.১২ একর জমি বি,আর, এস ১/১ নং খতিয়ানে ৬২৩৮ দাগে ০.১২ একর জমিসহ মোট- ৩.৮৮ একর জমি।  অর্পিত সম্পত্তির “খ” তালিকা ভুক্ত থাকায় সরকার পক্ষের ১/১ নং খতিয়ানে রেকর্ড লিপিবদ্ধ করেন। নালিশী এস,এ ৯১০ ও এস,এ ১২৭৫ নং খতিয়ানে প্রভাষ চন্দ্র চক্রবর্তী ৪ আনা, উপেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ৪ আনা,ভূপেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ৪ আনা ও ননী গোপাল চক্রবর্তী ৪ আনা প্রাপ্ত। জমার্ন্তগত প্রভাষ চক্রবর্তী ১/৪ অংশের ০.৯৬৫০ একর জমির মালিক থাকেন।
প্রভাষ চন্দ্র চক্রবর্তী একজন চাকুরীজীবি ছিলেন,তিনি ধানদিয়া কৃষ্ণনগর গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। চাকুরী করার কারনে তিনি গ্রামের বাড়ি হতে স্থান্তারিত হয়ে সাতক্ষীরা পৌরসভার মুনজিতপুর এলাকায়  স্থায়ীভাবে  বসবাস করতেন। সেই কারনে তার নামীয় সম্পত্তি ভ্রম বসত অর্পিত  তালিকাভুক্ত হয়ে যায়। এ কারনে স্বত্ব ফেরানোর  জন্য শরিকদের সাথে একযোগে খুুলনা সাব- জজ আদালতে  ৭৪৯/৬৭ নং একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ শুনানী অন্তে প্রভাষ চন্দ্র চক্রবর্তী নালিশী খতিয়ানের ৩.৭৬ একর জমির ১/৪ অংশের ০.৯৪ একর জমি ছোলে সুরত রায় ডিগ্রী প্রাপ্ত হন। জরীপ কালের  পূর্বে নালিশী সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তির “খ” তালিকা ভুক্ত থাকায় সরকার পক্ষ ১/১ খতিয়ানে লিপিবদ্ধ করেন। ভূমি মন্ত্রনালয়ের ১৪/০৭/১৪  ইং তারিখের ৩১,০০,০০০০,০৪৫,৫৩,০৬৫,১২( অংশ)৩৩৪ নং স্বরকে জারীকৃত পরিপত্রের নির্দেশ মতে আবেদনকারীগন ওয়ারেশ সূত্রে  আদালতে ৫৬১১০১১ নং নামজারী আবেদন করেন।
যাহা ৭৫৭২( Ix-I)২৩-২৪ নং নামজারী কেসে এস, এ ৯১০ নং খতিয়ানের বিপরীতে  ১/১ খতিয়ানে বর্ণিত দাগের মধ্যে ০.৯৪ একর জমি ছোলেসুরত রায় ডিগ্রী মূলে ও এস,এ ১২৭৫ খতিয়ানের ২১১০ দাগের বিপরীতে ৬২৩৭ দাগের ০.১০ একর জমির মধ্যে ০.০২৫০ একর মোট- ০.৯৬৫০ একর জমি ১/১ খতিয়ান হইতে রেকর্ড সংশোধনের আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ১৪/০৩/২০২৩ তারিখের নগরঘাটা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী  কর্মকর্তা অসীম কুমার হালদারের তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনায় জানা যায়,আবেদিত ০.৯৬৫০ একর জমির মধ্যে ০.১৭৩৪ একর জমি রেকর্ড সংশোধন যোগ্য,বাকী  জমি বিরোধীয় নামজারী কেসে  রেকর্ড সংশোধন হয়েছে।
মুল জমায় দাগভুক্ত জমি তঞ্চকতা করে বিবাদী পক্ষ রেকর্ড সংশোধন করে জমায় স্বত্ব প্রচার করছেন। এই ঘটনায় তালা উপজেলা সহকারী কমিশনার অফিসের উচ্চমান সহকারী মিলন চক্রবর্তী প্রতিপক্ষ জিল্লুর রহমান, জাহানারা, শাহানারা, মনোয়ারা, ফেরদৌসী, সোনা ভান,মতিয়ার,সুগেল চন্দ্র( পরামানিক),  গোবিন্দ,রবীন্দ্র,রঞ্জন,বিশ্বনাথ,প্রশান্ত,বিকাশ, বিজয়,লক্ষীকান্ত,পরিতোষ,দিপাঙ্কর,রাহাজান, নুরজহান,আনছার,মুহিদুল,হামিদ,মোস্তাফিজুর,নাসিরউদ্দিন, সিরাজুল,কামরুজ্জামান, মোকলেছুর ও মালিকা বেগমকে বিবাদী করে তঞ্চকতা নামজারী বাতিলের জন্য তালা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমির আদালতে ১৫০ ধারায় ৭০(Xlll)/২০২৩/২৪ নং কেস দায়ের করেন।
মিলন চক্রবর্তী জানান, মামলাটি করার পর থেকে আমি পড়েছি  বিপাকে, পৈত্রিক সম্পত্তি প্রতিপক্ষদের জবরদখলে থাকা অবস্থায় উদ্ধারের চেষ্টা করায় তারা বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে আমার বিরুদ্ধে । জমি টিকিয়ে রাখতে আমাকে জড়িয়ে তারা বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।
আমি মামলার বাদী আমি চাই মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি হোক, কিন্তু নিষ্পত্তি করার মালিক তো স্যার, এখানে আমার তো কিছুই করার নেই। আমি আমার পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধারে এলাকাবাসীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। এঘটনায় অভিযুক্ত জিল্লুর রহমান, আলমগীর হোসেন বলেন, মৃত.  সোলেমান প্রফেসারের ওয়ারেশদের নিকট থেকে আমরা ক্রয় করেছি। সোলেমান প্রফসের এই জমির মালিক কি ভাবে হলো জানতে চাইলে তারা জানেনা বলে জানান।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।