মঙ্গলবার , ৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ১৪ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

জমি দখল নিতে ব্যর্থ; মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৪
লামার পার্শ্ববর্তী চকরিয়ার বমু বিলছড়ি ইউনিয়নের লম্বাছড়া গ্রামে (৮ নং ওয়ার্ড) জমি দখলে ব্যর্থ হয়ে জমির মালিকানার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানির করার অভিযোগ উঠেছে। রোকসানা বেগম নামের এক মহিলার বিরুদ্ধে।
সরেজমিনে ও বিশ্বস্থ সূত্রে জানায়ঃ দীর্ঘদিন ধরে আনোয়ার হোসেন গংদের সাথে একই এলাকার মোঃ ইসমাইল গংদের সাথে বনবিভাগের ভোগ দখলীয় জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বিভিন্ন সময় ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয়ভাবে সালিশ বিচার হয়েছিল।এর মধ্যে বর্ণিত এলাকা ২০০৫-০৬ সাল হতে বনবিভাগের জায়গা সামাজিক বনায়নের আওতায় চলে আসে। সেখানে ইসমাইল এর নামে সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীর তালিকায় আছে।
পরে আবার কিছু জায়গা ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের সামাজিক বনায়নের আওতায় আসে। মোঃ ইসমাইলের ছেলে সাইফুল ইসলাম এর নামে সামাজিক বনায়নে প্লটে নাম আসে। কিছু জায়গা আগে থেকে আবাদ করা নিছু বাগান ও ধানী জায়গা নিজ দখলে রয়েছেন। এদিকে আনোয়ার হোসেন এর মেয়ে রোকসানা বেগম, স্বামী সৈয়দুল আমিন বসতবাড়ি নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করে আসতেছে। এতে তামাক চুল্লিও রয়েছে। এর পাশে ইসমাইল এর ছেলে সাইফুল ইসলাম এর  সামাজিক বনায়ন ও কিছু আবাদীয় জমি রয়েছে। সেখানে সর্বশেষ গত ২ আগষ্ট শুক্রবার শ্রমিক নিয়ে চাষ করতে গেলে আনোয়ার ও তার মেয়ে বাধা দিলে বাকবিতন্ডায় ও ধস্তাধস্তিতে রোকসানা হাতে  আঘাতপ্রাপ্ত হয়। পরে আনোয়ার গং লোকজন এসে কাজ করতে আসা শ্রমিক ও মোঃ ইসমাইল ও তার ছেলে সাইফুল ইসলামকে ধাওয়া করে। এতে তারা প্রাণনাশের ভয়ে পালিয়ে যায়। তখন তার জমি ও বাগানে কোন কাজ করতে পারছে না। এর আগেও কয়েকবার ঘটনা করেছিল তারা। তারা সামাজিক কোন সালিশ বিচার মানে না।
এরপর থেকে উক্ত জায়গা দখলে নিতে তারা বিভিন্নভাবে হয়রানি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। এতে সর্বশেষ তারা মোঃ ইসমাইল,তার ছেলে সাইফুল ইসলাম এর নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত ৫/৬ জন নামে মামলা করেন।
এদিকে মোঃ ইসলাম ও তার ছেলে জানান, তাদের আমরা তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হচ্ছি। আমাদের কিছু জমি থাকায় বিভিন্ন সময়ে সেই জমি দখলের পাঁয়তারা করেন তারা। আমাদের সৃজিত বাগানে গাছ পালা তারা কেটে নিয়ে যায়। এতে বাধা দিলে বা আইনের আশ্রয় নিলে জখম করার হুমকি দেন। জমি দেখতে গেলে কয়েক দফায় আক্রমণের চেষ্টাও করেছেন তারা। এ বিষয়ে আমরা ২০১১ সালে থানায় সাধারণ ডায়রি করা আছে। জিডি নং -৩৯৯।  তিনি আরও জানান তারা স্থানীয় ভোটারও নয়। রোহিঙ্গা।
অন্যদিকে আনোয়ার তার মেয়ে রোকসানা জানান, তারা আমাদের বাড়ি জায়গা লাগোয়া পাহাড় কাটতে বাধা দিলে ঐ দিন আমার মেয়েসহ মারধর করে। এর জন্য আমরা প্রতিকার ছেয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েছি।
আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য শালিশা থানাকে দায়িত্ব দিয়েছেন।’
কাজ করতে যাওয়া শ্রমিক এছাম উদ্দীন,আহমদ করিব,শুক্রর জানান, ঐদিন আমরা কাজে গিয়েছিলাম কিন্তু এতে বাধা দিয়ে আমাদের দা,পডা কেড়ে নিয়ে তাড়িয়ে দেয়।
স্থানীয় সামাজিক বনায়ন রক্ষানাবেক্ষণ কমিটির সভাপতি মোঃ ওমর আলী বলেন,  উভয়ের ঘটনা সম্পর্কে শুনেছি। আমরা বসে সমাধান করে দেওয়ার চেষ্টা করছি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ মুজিবুর রহমান জানান, এ বিয়ে আমরা অবগত আছি, উভয় পক্ষের সাথে বৈঠক করে সমাধান চেষ্টা করব।
বমু বন  বিট কর্মকর্তা দুলাল চন্দ্র হালদার বলেন, এ বিষয়ে আমরা সরেজমিনে তদন্ত করেছি। পরবর্তীতে অফিস এর মাধ্যমে সামাধানের করণীয় ঠিক করব।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।