দৌলতপুর উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে লাইসেন্সবিহীন দোকানে রমরমাভাবে ঔষধের ব্যবসা চলছে। এতে প্রতিনিয়ত
ক্রেতারা প্রতাড়িত হচ্ছে। জানাযায় পুরো উপজেলায় প্রায় ৩০০টিরও বেশি ঔষধের দোকান আছে। উপজেলার বিভিন্ন বাজারগুলোতে ব্যাঙের ছাতার মত এই সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। তাছাড়া মুদি দোকানে ঔষধ পাওয়া যায়। এসব দোকানের মালিক ও বিক্রেতাগণ প্রশিক্ষণ বিহীন, স্বল্প শিক্ষিত হওয়ার কারণে ভুল ঔষধ প্রদান করে রোগীদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। হাতুড়ে ডাক্তারদের পরামর্শে নিম্নমানের ঔষধ ব্যবহার করে ভাল মানুষ আরও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানি স্যাম্পল এর লোভে স্বল্প শিক্ষিত লোক নাম মাত্র প্রশিক্ষণ গ্রহণ অথবা কোন হাতুড়ে ডাক্তারদের সঙ্গে
মাস ২ থেকে নিজে ডাক্তার সেজে হাটবাজারে ব্যবসার কেন্দ্র খুলে রমরমাট ব্যবসা করছে। বিভিন্ন হাটবাজারে একটু লক্ষ্য করলে দেখা যায় হাতুডে ডাক্তাররা বিরাট বিরাট সাইনবোর্ড লাগিয়ে জটিল, কঠিন, দূরারোগ্য ব্যাধি নিরাময়ের গ্যারান্টি সহকারে চিকিৎসা দিচ্ছে। আর এইসব অবৈধ ফার্মেসীতে চলছে নিম্নমানের ঔষধের জমজমাট ব্যবসা। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই হাতুডে ডাক্তার ও ফার্মেসীর মালিকরা হয়ে যাচ্ছে লাখপতি। তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের ডাক্তাররা টাইটেল ব্যবহার করে জনসাধারণকে করছে প্রতাড়িত প্রতারণার কারণে দৌলতপুর মানুষের জীবন বিপন্ন হলেও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কোন মাথাব্যথা নেই। সচেতন মহল এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের