কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার রাউতি ইউনিয়নের মেছরগাও গ্রামে স্ত্রীর পরকীয়ায় বাধাঁ দেওয়ায় এবং প্রতারণা করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার প্রতিবাদ করায় হাবিুবর রহমানের পুত্র শামীমের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী গ্রহনকারী আদালত ৬ কিশোরগঞ্জে তার স্ত্রী নান্দাইল উপজেলার লংপুর গ্রামের রাজ্জাকের মেয়ে ময়না আক্তার সিআর মামলা নং ১১৭ (১) ২০২৪ দায়ের করে হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে প্রকাশ, উক্ত ময়না আক্তার বিবাহের পর থেকে বেশীর ভাগ সময় তার বাবার বাড়ি থেকে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়। স্বামী শামীম এঘটনা জানার পর স্ত্রী ময়নাকে বাধাঁ প্রদান করেও তার আয়ত্বে আনতে পারেনি। শামীম অভিযোগে আরও জানান, তার স্ত্রী ময়না আক্তার বিবাহের সময় কুমারী হিসাবে পরিচয় দিয়ে তার নিকট পারিবারিকভাবে ইসলামিক শরীয়ত মতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিবাহের পর জানাযায়, ইতি পূর্বেও তালাকপ্রাপ্ত নারী হিসাবে ময়না আক্তার তার গ্রামেরই ওয়াজেদ আলী মুন্সীর পুত্র আব্দুর রাজ্জাকের নিকট বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। উক্ত পূর্বের কাবিননামা থেকে জানাযায়। অথচ শামীমের নিকট বিবাহের সময় নিজেকে কাবিননামায় কুমারী পরিচয় দিয়ে শামীমের নিকট বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। শামীম আরও জানান, গত ১৫ই জুন ২০২৪ইং তারিখে তার স্ত্রী ময়না আক্তার তার বাবার বাড়িতে থাকা অবস্থায় পাশের বাড়ির জুয়েল মিয়ার সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত হলে এলাকাবাসী তাদেরকে হাতেনাতে আটক করে এবং গ্রাম্য শালিশে উভয়ই এলাকাবাসীর নিকট ক্ষমা চায় এবং এধরনের অনৈতিক কাজ আর করবে না বলে এলাকাবাসীর হাতে আটককৃত ময়না ও জুয়েল গ্রামবাসীর নিকট অঙ্গীকার করেন। ময়না আক্তারের স্বামী শামীম মিয়া অভিযোগে আরও জানান, তার স্ত্রীর একাধিক বিবাহ হওয়ার পরেও তার নিকট কুমারি হিসাবে পরিচয় দিয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে তার সাথে প্রতারণা করেছে এবং তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। এব্যাপারে প্রতারিত শামীম সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
সোমবার , ২রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ১৩ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
তাড়াইলে স্ত্রীর পরকীয়া বাধাঁ দেওয়ায় মিথ্যা মামলা দিয়ে স্বামীকে হয়রানির অভিযোগ
প্রকাশিত হয়েছে- বুধবার, ১০ জুলাই, ২০২৪