সোমবার , ২রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ১৩ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

ঝালকাঠির পিপলিতায় বৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা ও স্ত্রীর উপর হামলার অভিযোগ

প্রকাশিত হয়েছে- রবিবার, ১৬ জুন, ২০২৪

ঝালকাঠির সদর উপজেলার কেওড়া  ইউনিয়নের  পিপলিতা গ্রামে বৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধার ও তার স্ত্রীর উপর শারীরিক হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আ: হাতেম হাওলাদার (৭৫) পিপলিতা গ্রামের মৃত আ: গনি হাওলাদারের পুত্র। তিনি ১৩ জুন ২০২৪ ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে সার্জারী ওয়ার্ডের ১২ নং বেডে চিকিৎসাধীন আছেন (ভর্তির রেজি: নং ২০৬৭/২০)। ১৬ জুন সকালে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভুক্তভোগী বীর মুক্তিযোদ্ধা আ: হাতেম হাওলাদার এ প্রতিবেদককে জানান, “ ঘূর্ণিঝড় রেমালে আমার বসত বাড়ির গাছ পড়ে গেলে গত ৯ জুন একই গ্রামের পাশর্^বর্তী বাড়ির আকুব আলীর পুত্র আ: সালাম, আ: সালাম খানের পুত্র মো: উজ্জ্বল খান ও মো: হীরা খান অবৈধভাবে তাদের গাছ দাবী করে জোর পূর্বক কেটে নেয়ার চেষ্টা করলে আমার স্ত্রী রিজিয়া বেগম তাতে বাধা দিলে তাকে (স্ত্রী) মারধর করে। এ ব্যাপারে ১০জুন ২০২৪ তারিখ ঝালকাঠি সদর থানায় আকুব আলীর পুত্র আ: সালাম খান, আ: সালাম খানের পুত্র মো: উজ্জ্বল খানকে আসামী করে  একটি মামলা দায়ের করা হয় (থানার মামলা নং ১১)। আঃ সারাম ও তার পুত্র উজ্জ্বল ঝালকাঠি আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে বৃহস্পতিবার গরুর হাট থেকে বাড়ি ফেরার পথে আকুব আলী খানের পুত্র আ: সালাম খান, আ: সালাম খানের পুত্র মো: উজ্জ্বল খান ও মো: হীরা খান আমার বাড়ির দরজায় পথ রোধ করে দাড়ায় এবং আমাকে উপর্যপুরি হামলা চালিয়ে আমাকে আহত করে এবং আমার সাথে থাকা গরু কেনার ৯০ হাজার টাকা ছিনাইয়া নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আমার আত্মীয় স্বজন এসে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করায়। বর্তমানে আমাকে হত্যার পায়তারা চালাচ্ছে। আমি জানমাল হারানোর ভয়ের মধ্যে জীবনযাপন করছি। আমি প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট এই ঘটনার সুবিচার প্রার্থনা করছি।”

এ ব্যাপারে প্রতিপক্ষ আঃ সারাম খানের পুত্র মো: হীরা খান ও উজ্জ্বল খান এই প্রতিবেদককে জানান, “মুক্তিযোদ্ধা আ: হাতেম হাওলাদারের সাথে জমি জমা নিয়ে তাদের সাথে বিরোধ আছে। তাদের জমির গাছ তারা কাটতে গেলে হাতেম আলীর স্ত্রী তাতে বাঁধা দিলে তর্ক বিতর্ক হয় এবং তাদের (বাপ পুত্র) ২জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করে।  আদালত থেকে সেই মামলায় জামিন পান তারা । এরপর আর কোন ঘটনা ঘটে নাই।”

ঝালকাঠি সদর থানার এসআই ও মামলার প্রথম আইও মো: আবু বক্কর বলেন, “ গাছ কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি মামলা হলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঘটনা স্থল পরির্শন করেছি এবং আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা করা হয়েছিল। পরে আসামীরা আদালত হতে জামিন নেন। তিনি বাদী বিবাদীর বক্তব্য গ্রহন করেছেন। উভয় পক্ষ আপোষ মীমাংসা হতে ইচ্ছুক নয়। আসামী পক্ষ বর্তমানে জামিনে আছে।  তদন্ত শেষে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
ঝালকাঠি সদর থানার এসআই ও মামলার বর্তমান আইও মো: শেখ জুয়েল মুঠোফোনে জানান, মামলার বাদী বিবাদী উভয় পক্ষের সাথে কথা বলেছি। বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধা আ: হাতেম হাওলাদার ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। শুনেছি বিবাদীরা তাকে মারধর করেছে।  এ ঘটনায় সে এখন পর্যন্ত কোন মামলা করেন নাই। মামলা করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তিনি মামলা করলে  তাকে আইনানুগ সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

কেওড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু সাইদ খান মুঠোফোনে জানান, “এই রকম ঘটনা এখন পর্যন্ত কেউ তাকে জানান নাই। তাই এই ঘটনায় তিনি কোন মন্তব্য করতে পারবেন না।”

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।