[bangla_day] , [english_date] || [bangla_date] - [bangla_season] || [hijri_date]

আটঘরিয়ায় পূর্ববিরোধের জেরকে কেন্দ্র করে বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, দুই লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ

প্রকাশিত হয়েছে- রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার হিরানন্দপুর গ্রামে পূর্ববিরোধের  জেরকে কেন্দ্র করে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটপাট এবং এক গৃহবধূকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ফজলুল হক (৪৮), একদন্ত ইউনিয়ন আনসার দলের দলনেতা (কমান্ডার), কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে আটঘরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ অক্টোবর রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের হিরানন্দপুর গ্রামে ফজলুল হকের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করেন। পরে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে আসবাবপত্র, কম্পিউটার, দরজা-জানালাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করেন।
অভিযোগকারী ফজলুল হকের দাবি, এ সময় বাড়ি থেকে নগদ দুই লাখ টাকা, তিন ভরি স্বর্ণালংকার, দুই ভরি রুপার গহনা এবং প্রায় ২ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের একটি নোকিয়া বাটন মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়া হয়। বাড়ির অন্যান্য কক্ষের দরজা-জানালাও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
ফজলুল হকের অভিযোগ, হামলার সময় বাধা দিতে গেলে তাঁর স্ত্রীকে মারধর করা হয়। এ ছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার সময় কয়েকটি বোমা নিক্ষেপ করেন এবং তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ০১৩০২-৯৫৩১২৭ নম্বর থেকে ফোন করে তাঁর কাছে টাকা দাবি এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।
ফজলুল হক বলেন, “পূর্বশত্রুতার জের ধরে আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। এ সময় আমার স্ত্রীকেও মারধর করা হয়। বাড়ি থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, রুপার গহনা ও মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এর আগেও এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করেছিলাম। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।”
ফজলুল হক জানান, এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বরও একই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আটঘরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। ওই সময় তিনি আটঘরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছিলেন এবং ভর্তির রসিদ জমা দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন। ওই রসিদ এখনো তাঁর কাছে রয়েছে বলে জানান তিনি।
এ ঘটনায় অভিযোগকারী হিরানন্দপুর গ্রামের মনিরুল ইসলাম বাবু, আকাশ ও রুহুলসহ কয়েকজনকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁদের পাশাপাশি স্থানীয় আরও অনেকে ঘটনা সম্পর্কে অবগত রয়েছেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আটঘরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুজ্জামান সরকার বলেন, “অভিযোগটি পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।