[bangla_day] , [english_date] || [bangla_date] - [bangla_season] || [hijri_date]

অভয়নগরে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, ৩ মাসে চিকিৎসা নিয়েছেন ৪৭৮ জন

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হাসপাতালের ওয়ার্ডে রোগীর চাপ, বর্তমানে চিকিৎসাধীন ২১ জন; মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও কার্যকর মশক নিধন কার্যক্রম জোরদারের দাবি।

যশোরের অভয়নগরে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। জ্বরসহ বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, বর্তমানে ২১ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে কেউ শয্যায়, আবার কেউ ফ্লোরে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। রোগীর চাপ বাড়ায় হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবায়ও চাপ তৈরি হচ্ছে। অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলিমুর রাজীব জানান, ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে ১২৫ জন, আগস্ট মাসে ১৬১ জন এবং সেপ্টেম্বর মাসে এ পর্যন্ত ১৯২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। অর্থাৎ গত তিন মাসে মোট ৪৭৮ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। ডা. আলিমুর রাজীব বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আন্তরিকতার সঙ্গে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রস্তুত রয়েছে। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়লেও মশার বংশবিস্তার রোধে কার্যকর ও নিয়মিত উদ্যোগ খুব একটা চোখে পড়ছে না। বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি, বসতবাড়ি ও দোকানপাটের আশপাশের নোংরা-আবর্জনা, ঝোপঝাড় এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে এডিস মশার বংশবিস্তারের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার করা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে। স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিলেই হবে না; একই সঙ্গে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত মশক নিধন, বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। সচেতন মহলের দাবি, অভয়নগরের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ এখনই প্রয়োজন। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে নিয়মিত মশক নিধন অভিযান পরিচালনা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি। পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সঠিক ও হালনাগাদ পরিসংখ্যান নিয়মিত প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, পরিস্থিতির প্রকৃত চিত্র জানা গেলে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া আরও সহজ হবে।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।