পাবনার ফরিদপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে একটি বসতবাড়ি থেকে ৫ কেজি অবৈধ গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মো. সবুজ নামে এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বাবা মো. মিন্টু পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে ইমামা বানিন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পাবনা জেলা কার্যালয়ের ‘খ’ সার্কেল, ঈশ্বরদীর উপপরিদর্শক মোহাম্মদ শের আলমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে কথিত চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মো. মিন্টু ও তার ছেলে মো. সবুজের বসতবাড়ি তল্লাশি করা হয়।
এ সময় একটি বড় প্লাস্টিকের ব্যাগের ভেতর পলিথিন ও কসটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় বড় পোটলায় রাখা ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে মো. সবুজকে গ্রেপ্তার করা হলেও মো. মিন্টু পালিয়ে যায় বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, একই স্থানে মাদক সেবনের অপরাধে মো. পলক (২০) নামে একজনকে আটক করা হয়। পরে নির্বাহী বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া গাঁজার ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এখন জনমনে প্রশ্ন উঠছে—
ফরিদপুর পৌর শহর এলাকার ভিতর কি করে আবাসিক বসতবাড়িতে এত বিপুল পরিমাণ মাদক মজুত হলো? এর পেছনে আরও কেউ জড়িত কি না—তা খতিয়ে দেখার দাবি স্থানীয়দের।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে ইমামা বানিন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে এমন অভিযান অব্যাহত রাখা হবে এবং তিনি আরো বলেন,শুধু প্রশাসনের একার পক্ষে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয় এই জন্য আমাদের সবার সহযোগিতা এবং মাদকের বিরুদ্ধে সবার সজাগ থাকতে হবে।