সাতক্ষীরার তালা উপজেলার শিরাশুনিতে অসুস্থ, অসহায়, নিসন্তান মোসলেমউদ্দীনের ক্রয়কৃত রেকর্ডীয় জমিতে লাগানো ফসল পোড়া ওষুধ দিয়ে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার মৃত. নেছার আলী শেখের পুত্র এক সময়কার আওয়ামী লীগ নেতা বর্তমানে জামাতের নেতা পরিচয়দানকারী,ভূমিদস্যু মহিউল হাসানের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী মোসলেম উদ্দিন শেখ জানান, শিরাশুনি গ্রামের মৃত. তয়েব আলী শেখের স্ত্রী মৃত. আইফুল ওরফে আয়েশা বেগমের নিকট থেকে শিরাশুনি মৌজার,জে এল নং- ১০৩,ডিপি খতিয়ান- ২০৬,সাবেক দাগ- ৪৬১,হাল দাগ -৬৭৮,জমির পরিমান- ৫৭ শতক ৩০/৬/১৯৯৮ সালে কোবলামূলে আমি ক্রয় করি। পরবর্তীতে উক্ত জমি বিআরএস জরিপে আমার নামে রেকর্ড করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করে আসছি।
সম্প্রতি উক্ত জমির উপর কু-নজর পড়ে এক সময়কার আওয়ামী লীগ নেতা বর্তমানে জামায়াত নেতা পরিচয় দানকারী মহিউল হাসানের। তারপর থেকে শুরু হয় আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা ও হয়রানি।
আমার বিরুদ্ধে তার দেওয়া মিথ্যা মামলায় গত ১৬ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা আদালতে গেলে সেই সুযোগে মহিউল হাসানের নেতৃত্বে মুক্তার আলী শেখ,কবির হোসেন,জাহাঙ্গীর হোসেন, আশরাফুল শেখ,সাঈদ শেখ,জাহিদ শেখ,আনিসুর সেখ,আহাদ শেখ,এরশাদ শেখ,আনিসুর শেখ সহ ২০/২৫ জনের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী আমার লাগানো ফসল পোড়া ওষুধ স্প্রে করে পুড়িয়ে নষ্ট করে দিয়ে জমিটি জবরদখলে নেওয়ার চেষ্টা করে। এবং বলে এই জমিতে গেলে আমাকে পিটিয়ে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয়। এ ঘটনায় আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
তিনি আরো বলেন,আমি যে মালিকের নিকট থেকে জমি ক্রয় করেছি মহিউল হাসান না কি ওই মালিকের নিকট থেকে জমি ক্রয় করেছে। জানা মতে আমার দলিল আগে করা, তার দলিল পরে।তাহলে ওই মালিকের যে জমি ছিল তা আগেই বিক্রয় করা হয়ে গেছে, পরবর্তী দলিলে সে কিভাবে জমি পায়? আমি এই ভূমিদস্যু মহিউল হাসানের কবল থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মহিউল হাসানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন,ওই জমিতে আমি আদালত থেকে স্ট্রে অর্ডার নিয়েছি। তিনি দাম্ভিকতার সাথে বলেন বড় বড় নেতারা আমার সাথে রয়েছে। আমি যেটা করেছি ঠিক করেছি।
এ বিষয়ে ঐ এলাকায়
উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। নিসন্তান মোসলেম উদ্দিনের ক্রয়কৃত সম্পত্তি
সঠিক বিচারের মাধ্যমে তাদের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে তার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার সহ এলাকাবাসী।