পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী পদে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মনোনীত সাংবাদিক শামীম আহমেদকে কিছু বিএনপি কর্মী মব সৃষ্টি করে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করেছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
জানা যায়, সাংবাদিক শামীম আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত। তিনি জাতীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ বেতার, রাজশাহীর ধর্মীয় আলোচক এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনেরও ধর্মীয় আলোচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী পদে তিনি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মনোনীত হন বলে জানা গেছে।
একপর্যায়ে কিছু বিএনপি কর্মী মব সৃষ্টি করে তাকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় প্রতিবাদকারীরা বলেন, একজন সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী কিংবা সাধারণ নাগরিকের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সাথে উঠা বসা ও ছবি থাকতেই পারে এটা কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়। শুধু ছবি বা কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিতির বিষয়কে কেন্দ্র করে কাউকে হেনস্তা করা কিংবা মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পাওয়া দায়িত্ব থেকে সরে যেতে বাধ্য করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তারা আরও বলেন, কোনো নাগরিকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তদন্ত করা উচিত। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কাউকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, হেনস্তা কিংবা জোরপূর্বক কোনো সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করতে পারে না।
মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মনোনীত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে রেখে ন্যায়সংগতভাবে মূল্যায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিএনপি কর্মীদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন জার্নালিস্ট ভয়েস অফ বাংলাদেশ পাবনা জেলা কমিটি নেতৃত্ববৃন্দ।