[bangla_day] , [english_date] || [bangla_date] - [bangla_season] || [hijri_date]

ফরিদপুর থানার এস আই এর বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ 

প্রকাশিত হয়েছে- রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

পাবনার ফরিদপুর থানার সাব ইন্সপেক্টর (এস আই)  মোঃরাসেল হোসেনের  বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এস আই মোঃরাসেল হোসেন গত ৫ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখে  পাবনার ঈশ্বরদী থানা থেকে ফরিদপুর থানায় বদলি হয়ে এসেছেন। তার বিপি  আইডি নং  ৯১২০২২৬১৭৭। ফরিদপুর থানায় যোগদানের পর থেকে তার বিরুদ্ধে নানা অনৈতিক  কর্মকান্ডের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। গত ২১/৭/ ২০২৬ ইং তারিখে ডেমরা মাঝাট সুইচগেট সংলগ্ন জায়গা থেকে ভ্যান ভর্তি চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে। বস্তা ভর্তি  জাল সহ আল মাহমুদ (৪০) পিতা মৃত মোয়াজ্জেম হোসেন ও তার ছেলে ইয়াসিন সাং মঝাট কে  পুলিশ ভ্যানে তুলে নিয়ে ফরিদপুর  খাদ্য গোডাউনের মোড়ে আসে। সেখান থেকে তাদের নামিয়ে  এসআই রাসেল মারধর করে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। পরে আল মাহমুদ তার মোবাইল ফোনে তার চাচাতো ভাই আলামিনকে টাকা নিয়ে আসতে বলে। পরে দেন দরবারের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা এস আই রাসেলকে প্রদান করে জাল নিয়ে বাড়িতে যায়। এই মর্মে ফরিদপুর থানায় একটু অভিযোগ দাখিল করেছেন তিনি। এছাড়া আল্লাহ আবাদ হাইস্কুলের  সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুল ইসলাম এর কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে । সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, আলামিন নামক এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে কোর্ট থেকে একটি অভিযোগ ফরিদপুর থানায় আসে। সেই অভিযোগের সাথে শফিকুল ইসলাম মাস্টার সম্পৃক্ত আছে কিনা সে বিষয়ে থানা কে অবহিত করে। এই অভিযোগে তদন্তের দায়িত্ব পায় এসআই রাসেল হোসেন। শিক্ষক শফিকুল ইসলামকে থানায় ডেকে নিয়ে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ  দাবি করেন । তা না হলে তাকে বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার করা হবে এবং তার বিরুদ্ধে কোর্টে ওই অভিযোগের প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। ভয় ভীতির  একপর্যায়ে  শফিকুল ইসলাম এসআই রাসেলকে ২৫  হাজার টাকা প্রদান করে। বাকি টাকা গুলোর জন্য অব্যাহতভাবে চাপ প্রয়োগ  করে।  তিনি বলেন দাবি কৃত টাকা প্রদান না করায়  ওই প্রতিবেদনে আমার নাম প্রদান করে কোর্টে প্রেরণ করেছে। ওই অভিযোগের সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। তারপরে ঘুষ  গ্রহণ করে সে এমন কর্মকান্ড করেছে। আরেক অভিযোগকারী মোঃ শামীম হোসেন (৩০)  পিতা জমসের আলী  গ্রাম নেছরাপাড়া ফরিদপুর পাবনা। তিনি বলেন আমার স্ত্রী আমার সাথে ঝগড়া করে বাপের বাড়িতে অবস্থান করে। পরে থানায় অভিযোগ করলে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রাসেল হোসেন আমাকে ভয় ভীতি দেখিয়ে আমার কাছ থেকে শাহিন নামক এক ব্যক্তির  সমঝোতায় ২০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করে । অভিযোগকারীদের দাবি  ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই রাসেল বলেন, এমন অভিযোগ সম্পুর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। চায়না জালের জন্য মামলা হয়েছে তার আলামত থানায় জব্দ করে রাখা আছে।

এ বিষয়ে ফরিদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফয়েজ উদ্দিন বলেন,  তার বিরুদ্ধে কয়েকটি ঘটনার অভিযোগ এসেছে। সে সময় আমি ছুটিতে ছিলাম। আমার অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব ছিলেন অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মোঃ হেলাল উদ্দিন। সেই সময় এই ঘটনাগুলো ঘটেছে। আমি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।