স্থানীয়রা বলছেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। অনেকেই এখন সামনে এসে একই ধরনের অভিযোগ তুলতে শুরু করেছেন। অভিযোগ উঠেছে, আবু সাঈদ অতীতে আওয়ামী যুবলীগের কর্মী ছিলেন এবং নির্বাচনের সময় সক্রিয়ভাবে প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। জানা গেছে, এ বিষয়ে যশোর জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে বড় ধরনের তদন্ত শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত আবু সাঈদ মোবাইল ফোনে জানান, মিলন গাজী তার মেয়ের একটি জন্ম নিবন্ধন যাচাইয়ের জন্য আমার কাছে নিয়ে এসেছিল। আমি কম্পিউটারে চেক করে সেটির কোনো অস্তিত্ব পাইনি। সেটি ভূয়া নিবন্ধন। আমার বিরুদ্ধে টাকা নেওয়া বা নিবন্ধন তৈরি করার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। চলিশীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সানা আব্দুল মান্নান বলেন, বিষয়টি আমি অবগত আছি। ইউনিয়নে সালিশও হয়েছে। সরাসরি সাঈদ জন্ম নিবন্ধন বানিয়েছে, এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে একটি পারিবারিক জটিলতার বিষয়ও আছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আপনারাও অনুসন্ধান চালাতে পারেন। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, ডিজিটাল সেবার নামে এ ধরনের প্রতারণা বন্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অন্যথায় সাধারণ মানুষের আস্থা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাবে।
অতিরিক্ত টাকা ছাড়া সেবা না দেওয়া সার্ভার ডাউনসহ নানা অজুহাতে হয়রানি। ২২ হাজার টাকায় বয়স পরিবর্তনের অভিযোগ। চেয়ারম্যান ও সচিবের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দাখিলের প্রস্তুতি। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে ইউনিয়ন পর্যায়ের সেবা কেন্দ্রগুলো মানুষের আস্থা অর্জনের কথা কিন্তু সেখানে যদি দুর্নীতি ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠে, তবে তা শুধু একটি এলাকার সমস্যা নয়, পুরো ব্যবস্থার জন্যই উদ্বেগজনক। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন কত দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়।