স্থানীয়দের অভিযোগ, হোটেলগুলোর বাহ্যিক সাজসজ্জা দেখে ভেতরের পরিস্থিতি বোঝার উপায় নেই। কিন্তু ভেতরে প্রবেশ করলেই দেখা যায় সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। অনেকে জানান, এসব হোটেলের খাবার খেয়ে প্রায়ই পেটের সমস্যা, ডায়রিয়া, গ্যাস্ট্রিকসহ নানা রোগে ভুগছেন তারা। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, কেউ অনিয়মের প্রতিবাদ করতে গেলেই হোটেল কর্তৃপক্ষ ও কর্মচারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে, এমনকি মারধরের হুমকিও দেওয়া হয়। ফলে সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পান না।
অভিযোগ রয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি না মানলেও এসব হোটেলে খাবারের দাম তুলনামূলক বেশি রাখা হচ্ছে। মানহীন খাবার উচ্চমূল্যে বিক্রি করে ভোক্তাদের সঙ্গে একপ্রকার প্রতারণা করা হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তেমন কোনো অভিযান বা দৃশ্যমান পদক্ষেপ চোখে পড়েনি। নিয়মিত তদারকি না থাকায় হোটেল মালিকরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। উল্লেখ ২১ জুলাই নওয়াপাড়া বাজারে বিসমিল্লাহ হোটেলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার পরিবেশনের বিরুদ্ধে একজন সচেতন নাগরিক প্রতিবাদ করলেই হোটেল কর্মচারিরা তাকে লাঞ্চিত করে। ফলে নওয়াপাড়া বাজারের সচেতন নাগরিকরা দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব হোটেল-রেস্টুরেন্টে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা এবং অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এবিষয়ে যশোর ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার হোটেল গুলোর বিরুদ্ধে দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়া হবে, আমাদের লোকবল কম থাকায় অভিযান চালাতে একটু সময় লাগছে বিষয়টি যখন আপনারা জানালেন দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযান চালানো হবে।