[bangla_day] , [english_date] || [bangla_date] - [bangla_season] || [hijri_date]

চৌহালীতে সাড়ে ৬২ হাজার গবাদিপশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত 

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় চাহিদার তুলনায় বেশি কোরবানিযোগ্য গবাদি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। স্থানীয় খামারিরা এসব পশু বাজারজাতের অপেক্ষায় রয়েছেন। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলায় প্রস্তুতকৃত পশু স্থানীয় চাহিদা পূরণে সক্ষম।
খামারিদের দাবি, দেশের বাইরে থেকে কোরবানির পশু আমদানি বন্ধ রাখা উচিত। তাদের মতে, বিদেশ থেকে পশু আমদানি করা হলে স্থানীয় বাজারে পশুর দাম কমে যেতে পারে, ফলে ক্ষতির মুখে পড়বেন হাজারো খামারি। এছাড়া ভারত ও মিয়ানমারের আরাকান অঞ্চল থেকে চোরাই পথে গরু-মহিষ আসার বিষয়েও তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। যদিও বর্তমানে মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকায় চলমান সংঘাতের কারণে পশু চোরাচালান অনেকটা কমে এসেছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চৌহালী উপজেলায় ১ হাজার ৭৫৫টি খামারে মোট ৬২ হাজার ৪৭০টি কোরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৬ হাজার ২৬৭টি গরু, ১৭২টি মহিষ, ৪২ হাজার ৫১৭টি ছাগল এবং ৩ হাজার ৪৯০টি ভেড়া।
এ বছর উপজেলায় কোরবানিযোগ্য পশুর চাহিদা রয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৫২০টি। সে হিসেবে প্রায় ৩৯ হাজার ৯৫০টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। স্থানীয়ভাবে লালিত-পালিত পশু দিয়েই এ চাহিদা পূরণ সম্ভব বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
উপজেলার খাষপুখুরিয়া ইউনিয়নের কোদালিয়া গ্রামের খামারি মো. ফিরোজ মোল্লা বলেন, “কোরবানির বাজারে তোলার জন্য ১২টি ষাঁড় প্রস্তুত করেছি। প্রতিটির ওজন পাঁচ থেকে সাত মণ হবে। ষাঁড়গুলোকে কাঁচা ঘাস, খৈল, ভুসি ও খড় খাওয়ানো হয়েছে। কোরবানির হাট শুরু হলেই এগুলো বাজারে তুলব।”
খাষকাউলিয়া গ্রামের খামারি আব্দুল কুদ্দুস বলেন, “কোরবানি উপলক্ষে এ বছর ১১টি ষাঁড় প্রস্তুত করেছি। খামারে মোট ১৭টি গরু রয়েছে। দিন-রাত ৩ থেকে ৪ জন কাজ করছি। গোখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় এ বছর পশু পালনের খরচও বেড়েছে। তাই পশুর ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে চিন্তায় আছি।”
এ বিষয়ে চৌহালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শাহ আলম বলেন, “উপজেলায় গরু-মহিষ পালনের জন্য বিশাল চারণভূমি রয়েছে। এখানে প্রাকৃতিকভাবে পশু হৃষ্টপুষ্ট করা হয়। এ কারণে দক্ষিণাঞ্চলের চৌহালীর পশুর আলাদা সুনাম রয়েছে। এ বছর উপজেলায় মোট ৬২ হাজার ৪৭০টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “প্রাণিসম্পদ বিভাগের উপসহকারী কর্মকর্তারা সারা বছর খামারিদের সার্বিক খোঁজখবর রাখেন এবং পশু অসুস্থ হলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন। তবে গোখাদ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণে খামারিরা কিছুটা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।”

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।