[bangla_day] , [english_date] || [bangla_date] - [bangla_season] || [hijri_date]

নাগরপুরে নড়বড়ে সাঁকোটি ৯ গ্রামের মানুষের ভরসা 

প্রকাশিত হয়েছে- বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে একটি সেতুর অভাবে কমপক্ষে ৯টি গ্রামের মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। অথচ গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত হাজারো পথচারী ও স্কুল কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীরা কষ্টের মধ্যে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করে। জনদুর্ভোগ লাগোবে এখনো কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি সংশ্লিষ্ট দপ্তর।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মোকনা ইউনিয়নে পংবাইজোড়া, দেইল্লা সড়ক ধলেশ্বরীর শাখা নদীর ওপর প্রায় পাঁচ বছর আগে স্থানীয়রা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন। বর্তমান সময়ে বাস ও কাঠ দিয়ে নির্মিত নড়বরে সাঁকোটিই ওই ৯ গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা।সরেজমিনে গিয়ে একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা যায়, এখান দিয়ে ২০ বছর আগে ধলেশ্বরী নদী বহমান ছিল। নদী তার গতিপথ পরিবর্তন করে এখান থেকে আরও পূর্বদিকে সরে গেছে। আর এখানে রেখে গেছে সরু খালের মতো শাখা নদী। নদীর পাশেই জেগে উঠা চরে ধীরে ধীরে মানুষ তাদের বসতি গড়তে শুরু করলেও শুধুমাত্র সেততু অভাবে অন্তহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীর। মোকনা ইউনিয়নের লাড়ু গ্রামের এই অংশেই সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়েছিল। আর এখন এই ২ নং ওয়ার্ডসহ ৭টি গ্রামের জনগণের উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগ ও গ্রামে অবস্থিত স্কুল মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীসহ সকলের একমাত্র সড়কটি হয়ে উঠেছে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোর এ পংবাইজোড়া-দেইল্লা সড়কটি। এই সড়ক দিয়ে পংবাইজোড়া, লাড়ুগ্রাম, দেইল্লা, স্বল্প লাড়ুগ্রাম, চৌহালী পাড়া, পংবড়টিয়া ও ঘুণি গ্রামের স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীসহ হাজার হাজার পথচারী প্রতিনিয়ত যাতায়াত করে। সেতু না থাকার কারণে বর্ষা মৌসুমে নৌকাযোগে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। অপরদিকে আবাদি কৃষিপণ্য কেনা বেচায় চরম বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের।
স্থানীয় মো. বিল্লাল মিয়া (৪২) ও মো. রফিকুল ইসলাম(৫৫) প্রতিবেদককে বলেন, একটি সেতুর অভাবে আমরা দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে জীবনের সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে আছি। সব এলাকার উন্নয়ন হলেও আমাদের এলাকার উন্নয়ন হয় না। আমরা শুধু একটি সেতুর অভাবে পিছিয়ে আছি। বিগত সরকারের আমলে দেশে উন্নয়নের জোয়ার বইলেও আমরা বানে ভেসে চলছি।
মো. শাহজাহান মিয়া (৫৬) খলিলুর রহমান খলিল প্রতিবেদককে বলেন, বর্ষা মৌসুমে আমাদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে। গুরুতর রুগি, প্রসূতি সহ জরুরি প্রয়োজনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া সম্ভব হয় না। এমনকি ভারী বৃষ্টি হলেই খালে পানি জমে যায়, এই সাঁকোটির দু’পাশেই রয়েছে শত শত বিঘা আবাদি জমি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য রিয়াজ উদ্দিন খান রাজা বলেন, পাঁচ বছর আগে স্থানীয়ভাবে আমরা এখানে একটি বাঁশের সেতু নির্মাণ করি। এরপর ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়েই আমাদেরকে চলাচল করতে হচ্ছে। ইতোপূর্বে ভোটের জন্য নেতারা এসে কথা দিলেও বাস্তবে কোন কাজের কাজ হয়নি। ইতিপূর্বে ৮০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ব্রিজ ও রাস্তার উন্নয়ন কাজে বর্তমান সাংসদ রবিউল আউয়াল লাভলু ডিও লেটার দিয়েছেন।
মোকনা ইউপি চেয়ারম্যান মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, সেতু নির্মাণের দাবি ইতিমধ্যে একাধিক প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে, শুধু সময়ের অপেক্ষা। সেতু নির্মাণের দাবি এখন তাদের প্রাণের দাবি।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।