পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় কৃষকদের নিয়ে ফিল্ড টেকনোলজি ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। আজ (৬মে) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার উত্তরচক গ্রামে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ও
প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল এন্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টার প্রেনারশিপ এন্ড রেসিলিয়েন্স বাংলদেশ (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় এ ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচী পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ি পাবনার নুরে আলম, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মাহমুদা মোতমাইন্না, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল হক, কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক শ্রী বিপ্লব কুমার সেন, দুলাল মৃর্ধা প্রমুখ।
এ সময় পার্টনার প্রকল্পের কমিউনিটি বীজ উৎপাদন প্রদর্শনী খামারে ব্রি ধান-১০১ জাতের ১হেক্টর জমির ধান প্রদর্শন করা হয়। কৃষকরা জানান প্রতি হোক্টরে ৮.৫ টন ধান ফলনের আশা করা হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা মোতমাইন্না জানান, এছাড়াও আটঘরিয়ায় পার্টনার প্রকল্পের আওতায় ব্রিধান-১০১ জাতের ১হেক্টর বোরো ধানের প্রদর্শনীতে বাম্পার ফলন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রদর্শনীর কৃষকদের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গোপালগঞ্জ হতে ব্রিধান-১০১ এর ভালো মানের প্রজনন বীজ সরবরাহ করার পাশাপাশি সার, কীটনাশক,
বীজ সংরক্ষণ পাত্রসহ অন্যান্য উপকরণ একসাথে সময় মত কৃষকের মাঝে সরবরাহ করা হয়।
কৃষকদের সর্বদা পরামর্শ প্রদান করে সময়মত রগিং বা বিজাত বাছাই করানো হয়। এজন্য কৃষকদের নগদ সহায়তা প্রদান করা হয়। ব্রীধান-১০১ জাত পরিবেশের সাথে সহনশীল। এটার রোগবালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশী।
তাছাড়াও ফলন বেশী হয়, এর গাছের উচ্চতা বেশী হওয়ায় খড় বেশী হয়, যা গোখাদ্যর জন্য সহায়ক। বীজ বপনের ১৪৮ দিনের মধ্যে ধান কাটা যায়।
এতে যে কারণে কৃষকরা এটা আবাদে ঝুকছেন। ফলে রামপালে এবার বোরোর বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে এখন কাল বৈশাখীর পূর্বাভাস থাকায় কৃষকদের পরিপক্ব ধান দ্রুত কাটার পরামর্শ দেন এই কর্মকর্তা।