বিএনপি’র সলঙ্গা থানা মহিলা দলের সদ্য ঘোষিত কমিটি ঘিরে বিতর্ক,ক্ষোভ ও তীব্র সমালোচনার ঝড় বইছে।প্রার্থীর বাসায় ভুরিভোজ করে বিতর্কিত ব্যক্তিদের দিয়ে গঠিত এই কমিটি ঘোষণার প্রক্রিয়াও ছিল অস্বচ্ছ ও প্রশ্নবিদ্ধ।শুধু তাই নয়,নারী কেলেঙ্কারীর সাথে জড়িত,ভাইরাল হওয়া সমালোচিত স্কুল শিক্ষিকা রহিমাকে কমিটিতে সভাপতি এবং হাটিকুমরুল ইউনিয়ন কৃষক লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা,আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি শফির আস্থাভাজন ও ফেসবুক টিকটকার রোখসানা খাতুনকে সাধারন সম্পাদক করে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট ভুইফোড় কমিটি ঘিরে সোস্যাল মিডিয়া,ফেসবুকে নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।সলঙ্গা থানা বিএনপি’র কতিপয় সুযোগ সন্ধানীদের এমন হটকারী সিদ্ধান্তে থানা বিএনপি,যুবদল,স্বেচ্ছাসেবক দল,কৃষক দল,তাঁতী দল ও ছাত্রদলের ত্যাগী নেতাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।ত্যাগী নেতারা সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন,এতদিন আওয়ামী লীগের সাথে যোগসাজস করে নিজেদের আখের গোছানো কিছু নেতা নিজেদের হীনস্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে কমিটির মুল পদে বিতর্কিত ২ মহিলাকে ঘিরে বিএনপি’র ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্নসহ দলকে বিতর্কিতর পথে ঠেলে দিচ্ছে।ক্ষোভ ও ঘৃণাভরে অনেকেই বলেন,কতিপয় নেতাদের কারিশমায় “বিকাশ কমিটি” করা হয়েছে।এতদিন যারা থানা আওয়ামীলীগ ও আওয়ামী এমপিদের পাশে থেকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মঞ্চ কাঁপিয়েছে,আজ তাদেরকে দলে ঢুকিয়ে বিএনপিকে ধ্বংশ করবে।তৃণমূলের কিছু কর্মীদের প্রতিক্রিয়ায় আরও জানা যায়,টাকা দিয়ে ধরাকে সরাজ্ঞান করলে সময় হলে এরাই একদিন বিএনপি’র ভরাডুবি ডেকে আনবে।এ বিষয়ে সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মতিয়ার রহমান সরকার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম বলেন,মহিলা দলের কমিটি গঠন নিয়ে আমাদেরকে জানানো হয়নি।এ বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না।এমন কমিটি গঠন হলে ভবিষ্যতে দলের জন্য নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।তবে নেতাকর্মীদের দাবী,
বিতর্কিত এই কমিটি বাতিল করে সকলের মতামতের ভিত্তিতে একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য কমিটি গঠন করা হোক।জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।