সফল চেয়ারম্যান হওয়া একটা স্বপ্ন। কিন্তু স্বপ্নের পথে পা বাড়ালেই একের পর এক আসতে থাকে প্রতিবন্ধকতা। যে ব্যক্তি এসব প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে এগিয়ে যাবেন তিনিই হবেন সফল। আজ এমনই একজন সফল চেয়ারম্যানের কথা জানাচ্ছি- যিনি অনেক বাধা ও প্রতিবন্ধকতা পারি দিয়ে একজন সফল ব্যক্তি, সফল শিক্ষা গুড়ো সফল চেয়ারম্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। তিনি হলেন আর কেউ না সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার ৬নং খাষপুখুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত ৪ বারের চেয়ারম্যান মো, মিজানুর রহমান বাবলু।
জনপ্রিয়তার শীর্ষে এক সফল চেয়ারম্যানের গল্প।
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তারপরও মানুষের প্রত্যাশা থাকে।এই সফল মানুষটি সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জনগণের পাশে থেকে শুরু করে প্রতিটি মানুষের বিপদ আপদে ছুটে যান। তাইতো তিনি জনগণের কাছে একজন সাদা মনের উদার মানসিকতার মানুষ হিসেবে ইতিমধ্যে একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। সকল দু:খ দুর্দশায় তাঁকে সহজেই পাশে পাওয়া যায়। ইতোমধ্যে তিনি সমাজের সকল মতাদর্শের মানুষের কাছে একজন দক্ষ, পরিশ্রমী হিসাবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন। নির্বাচন কালীন সময়ে সাধারণ জনগনকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে একজন সফল ও জনপ্রিয় (চেয়ারম্যান)হিসেবে সবশ্রেনীর মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছেন। দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। এলাকার হতদরিদ্র মানুষের উন্নয়নে তাঁর নিরন্তর প্রয়াস সব মহলেই প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। তাইতো তিনি আবারও সকলের দোয়া, সমর্থন
আর ভালবাসা প্রত্যাশী।
তিনি ছাত্র জীবন থেকেই মেধাবী তাই তিনি যে কাজে হাত দিয়েছেন সেখানেই সফলতা। বিভিন্ন রাস্তার উন্নয়ন, স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, সংস্কার, ব্রিজ কালভার্ট, বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, প্রতিবন্ধিভাতা, ভিজিডি, ভিজিএফ, জন্মনিবন্ধনে প্রঃ, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়নসহ গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে যাচ্ছেন। এলাকার সাধারণ মানুষের মতে, আমরা নেতা বা চেয়ারম্যান বুঝি না। মিজান চেয়ারম্যান একজন ভালো মানুষ। তিনি একজন কর্মঠ ব্যক্তি এবং শিক্ষা গুড়ু। তিনি চেয়ারম্যান থাকলে আমাদের তথা এলাকার উপকার হবে। আমাদের দুঃখ-দুর্দশায় তাকে সহজেই পাশে পাওয়া যায়। ইতোমধ্যে তিনি সমাজের সকল মতাদর্শের মানুষের কাছে একজন দক্ষ, পরিশ্রমী ও মেধাবী সমাজ সেবক এবং উদীয়মান হাসি সভাস্থল হিসাবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি যতদিন বাচবে ততদিত এলাকার মানুষ তার হয়ে কাজ করতে চান এবং চেয়ারম্যান হিসেবে মিজানুর রহমানকে আবারও দেখতে চান। তিনি চৌহালী উপজেলার খাষপুখুরিয়া ইউপিতে বৈন্যা গ্রামে একটি সমৃদ্ধ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ওসমান গনি।
চেয়ারম্যান মহোদয় এক শোকাহত পরিবারের সন্তান। তার বড় ভাই, ভগ্নিপতি, চাচাতো ভাই, চাচাসহ একই বংশ থেকে ৭জন হারান ৭১এর গণ হত্যায়। সেই থেকে বৈন্যা গণহত্যার গণকবর অথচ তার বড় বোন গণহত্যায় শহিদ (স্বামীর) স্বকৃীত নিয়ে মরতে পারিনি। তার পিতাও ছিলেন একজন সমাজ সেবাক, আদর্শ ব্যক্তিত্ব, ন্যায় বিচারক ও বৃহত্তর মিরকুটিয়া ইউনিয়নে সাবেক ইউপি সদস্য। পিতার স্মৃতি ধরে রাখতে সমাজ সেবক হওয়ায়ঝরে জনগন ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান বানান এবং কোদালিয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এর দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৩ সাল থেকে খাষপুখুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।
চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন আমি নির্বাচিত হওয়ার পর নিয়মিত অফিস করছি পরিজনের কথা না ভেবে তার প্রিয় ইউনিয়নবাসীর জন্য দিন রাত নিরলস ভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছি এবং স্থানীয় প্রশাসনের সার্বিক তত্বাবদানে প্রতিটি উন্নয়নমূলক কাজ অতি দক্ষতার সাথে সফলভাবে করছি যা এখনও চলমান আছে,সততা ও কর্মদক্ষতার সাথে ইউনিয়নে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। খাষপুখুরিয় ইউনিয়ন পরিষদ ও মডেল উপজেলা কমপ্লেক্স গড়ে তুলবেন এবং সরকারের সুদৃষ্টি প্রত্যাশা করেন ।