[bangla_day] , [english_date] || [bangla_date] - [bangla_season] || [hijri_date]

৫ কারনে বেড়েছে মুরগির দাম

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২১

পাঁচ কারণে দেশে মুরগির দাম বেড়ে গেছে।
করোনার প্রতিকূল পরিবেশে খামার এবং হ্যাচারি বন্ধ হয়ে যাওয়া, ফিড এবং বাচ্চার দাম বৃদ্ধি এবং সামাজিক অনুষ্ঠানে চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণে বাজারে মুরগির দাম বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সোমবার খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রয়লার মুরগির পাইকারি দর ছিল কেজি ১৬৫ টাকা। খুচরায় তা ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সোনালি মুরগির কেজি ছিল ৩৩০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি বিক্রি হয়েছে কেজি ২৫০ টাকায়। জানতে চাইলে দুই মাসের ব্যবধানে পোল্ট্রি ফিড ৫০ কেজি বস্তার দাম ২২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২৬৫০ টাকা হয়েছে। তবে যারা বাঁকিতে কিনে তাদেরকে বস্তাপ্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা আরও বেশি দিতে হয়।

এই সময়ে ফিডের দাম কেজিতে ৮ থেকে ১০ টাকা বেড়ে গেছে। করোনাকালে কোন কোন হ্যাচারি বাচ্চা উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছিল। সেসময় ৩ টাকায়ও মুরগির বাচ্চা বিক্রি হয়েছিল। লকডাউন উঠে যাওয়ার পর সামাজিক অনুষ্ঠান বেড়ে গেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলেছে। হোটেল-রেস্টুরেন্ট খুলেছে। আবার সাগরে মাছ ধরা বন্ধ। সনাতন ধর্মীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলছে। মাহে রবিউল আউয়াল মাস শুরু হয়েছে।

এসব কারণে বাজারে মুরগির চাহিদা বেড়ে গেছে। কিন্তু বাচ্চার উৎপাদন হঠাৎ করে বাড়ানো সম্ভব নয়। গতকাল একদিন বয়সী মুরগির বাচ্চার দাম ছিল ৫৪ টাকা। এসব কারণে মুরগির দাম বেড়ে গেছে। করোনাকালে সবাই প্রণোদনা পেলেও ছোট পোল্ট্রি খামারিরা পায়নি। করোনার কারণে সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ ছিল। সাধারণ মানুষের আয় কমে গিয়েছিলে। লকডাউনে হোটেল, রেস্টুরেন্ট বন্ধ ছিল। যেকারণে মুরগির দাম কম ছিল।

একারণে অনেক ক্ষুদ্র খামারি নিঃস্ব হয়েছে। তাছাড়া মুরগির বাচ্চা এবং ফিডের দামও বেড়ে গেছে। যেকারণে বাজারে মুরগির দাম বেড়েছে। ফিডের দামে রাস টানতে সয়ামিল রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। তিনি জানান, মুরগি এমন একটি পণ্য যার মাধ্যমে এলাকাভিত্তিক উৎপাদিত মুরগি দিয়ে ওই এলাকার চাহিদা মেটানো হয়। দূর-দূরান্ত থেকে খুব বেশি আনা-নেওয়া করতে হয় না। দূর-দূরান্ত থেকে আনা-নেওয়া করতে হলে দাম আরো বেড়ে যেত।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণি সম্পাদক কর্মকর্তা ডা. রেয়াজুল হক পূর্বকোণকে বলেন, করোনার কারণে প্রতিকূল পরিবেশে  টিকতে না পেরে অনেক খামার বন্ধ হয়ে গেছে। যেকারণে বাজারে মুরগির কিছুটা সংকট রয়েছে। এছাড়া লালন-পালন ব্যয়ও বেড়েছে। তিনি জানান, দাম না পেলে খামারিরা মুরগি লালন-পালন করে না। দাম একটু বাড়তি থাকলে উৎপাদনও বেশি হয়।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।